মেয়ে আর মেয়ের মতো এই দু’য়ের মধ্যে অনেকটাই পার্থক্য রয়েছে!

ঢালিউড

ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে সমস্যা ছিল তনুশ্রীর৷ আর নানা পাটেকারের যদি তনুশ্রীকে অশ্লীল ভাবে ছোঁয়ার কোনও প্রবৃত্তি ছিল না তাহলে উনি, পরিচালক, কোরিওগ্রাফার নাচের স্টেপ বদলালেন না কেন? এই প্রশ্ন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছেন বলি অভিনেত্রী রেনুকা সাহানে৷ ফেসবুকে একটি বড় স্ট্যাটাসে তিনি নিজের সমস্ত প্রশ্ন জনসমক্ষে রেখেছেন যা হয়তো রেনুকার মতোই আরও পাঁচজনের মনে রয়েছে৷ তিনি প্রথমেই তার পোস্টে জানিয়ে দিয়েছেন যে নানা পাটেকার দুর্ব্যবহার এবং দান, উভয়ের জন্যই বেশ পরিচিত৷

রেনুকা লিখেছেন, সেই দিন পরিস্থিতিটাই পাল্টে যেত যদি তনুশ্রী ওদের চারজনের (নানা পাটেকার, গণেশ আচার্য, রাকেশ সারাং, সামি সিদ্দিকি) মধ্যে কারও মেয়ে হত৷ এরপরই উনি ব্যঙ্গ করে লেখেন, যতই হোক মেয়ে আর মেয়ের মতো এই দু’য়ের মধ্যে অনেকটাই পার্থক্য রয়েছে৷ তিনি আসলে নানা পাটেকারের বক্তব্যকে ব্যঙ্গ করেছেন৷ যা অভিনেতা ২০০৮ সালের ঘটনাটি চলাকালীন বলেছিলেন৷ তিনি আরও লিখে জানিয়েছেন, অবশেষে কার কেরিয়ারে ক্ষতি হলো? ঘটনায় জড়িত কোনও পুরুষকেই ক্ষতিগ্রস্থ হতে হয়নি৷ তাঁদের ইগোই শেষ পর্যন্ত জিতে গিয়েছে৷

রেনুকার প্রশ্ন এখানেই শেষ নয়, তার প্রতিটি প্রশ্ন বার বার একই দিকে ইঙ্গিত করছে, একটি মেয়ে যখন শ্যুটিং সেটে একটা মাত্র দৃশ্য নিয়ে এতটাই অপ্রস্তুত হলো তাহলে কী কিছুতেই নাচের স্টেপ বদলানো যেত না? এই ধরণের আচরণ কী নানা পাটেকারকে মহারাষ্ট্রের গর্ব হিসেবে গণ্য করা হয়? মহারষ্ট্রের গর্ব এটাই? মহারাষ্ট্রের গর্ব কী মহিলাদের সম্মান করার মধ্যে নেই? তাদের জন্য পৃথিবীটাকে নিরাপদ বানানো কী উচিত নয় সকলের? এমনই নানা প্রশ্ন নিয়ে তনুশ্রীর পাশে দাঁড়িয়েছেন রেনুকা সাহানে৷