দুপুরেই পাকিস্তানের বিপক্ষে ১ম টি-টুয়েন্টিতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

খেলাধুলা

বছরখানেক আগেও যে পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়তে ঘাম ছুটে যেত, সেই দলটির বিপক্ষে সব ম্যাচ জেতার মনচ্ছবি দেখছে টিম টাইগ্রেস। গত জুনে এশিয়া কাপের শিরোপা নিয়ে ফেরা দলটির কাছে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়ে উঠেছে নিজেদের সামর্থ্যে শান দেয়ার মঞ্চ।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টায় শুরু হবে ৪ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টি। সোমবার দুপুরে প্রায় দুই ঘণ্টা মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায় ম্যাচ নিয়ে জমেছে শঙ্কার মেঘ। এমনিতেই স্টেডিয়ামের ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত নয়। পরিচর্যার অভাবে দিনকে দিন খারাপের পথেই যাচ্ছে একাডেমি মাঠ। ম্যাচের আগে আরেকদফা বৃষ্টি হলে সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টি হতে পারে পরিত্যক্ত!

ভেন্যু ম্যানেজার এমএ বাহারের কপালে ম্যাচ নিয়ে চিন্তার ভাজ। রোববার সকালে বৃষ্টি হওয়ায় মাঠ কিছুটা ভিজেছিল। পুরোপুরি না শুকাতেই আবার বৃষ্টি। আউটফিল্ড যে ভালো অবস্থায় নেই সেটি তার চেয়ে ভালো আর কে জানেন!

মাঠ ভারী থাকলেও সমস্যা নেই বাংলাদেশ দলের। তবে শেষ পর্যন্ত খেলা না গড়ালেই বাধবে বিপত্তি। টাইগ্রেস অধিনায়ক যখন মনে করেন, একটা করে ম্যাচ মানেই একটা করে জয়ের সুযোগ। যে কারণে সালমার প্রত্যাশা সব ম্যাচ যেন মাঠে গড়ায়, ‘এশিয়া কাপে পাকিস্তানের সঙ্গে বড় ব্যবধানে আমরা জিতেছি। এখানে ম্যাচ খেলতে চাই। ভালো ফলাফল অবশ্যই আসবে।’

বাংলাদেশ দলের অনুশীলন যখন শেষের পথে তখন হানা দেয় বৃষ্টি। পাকিস্তান দল ভেন্যুতে এলেও অনুশীলন করতে পারেনি। টিম বাস থেকে নেমে ড্রেসিংরুমে যাওয়ার অবস্থাও ছিল না। বৃষ্টির বেগ আর মেঘের গর্জন দেখেই ফিরে যেতে হয়েছে টিম হোটেলে।

পাকিস্তান দল অনুশীলন করতে না পারায় সুবিধা হতে পারে বাংলাদেশের! মাঠ, উইকেট সম্পর্কে কোনো ধারণা ছাড়াই ম্যাচ খেলতে নামতে হবে সফরকারীদের। ম্যাচের আগে আবহাওয়া যেমন দুশ্চিন্তার কারণ, সালমা তেমনি স্বস্তিরও মনে করছেন, ‘আমাদের তো কিছুটা সুবিধাই হল। আউটফিল্ড ও উইকেট সম্পর্কে তারা কোনো ধারণাই পেল না। ২০১৪ সালে যখন পাকিস্তানের সঙ্গে সিরিজ খেলি, সেটি হয়েছিল মূল মাঠে। এই একাডেমি মাঠ পুরোই অচেনা পাকিস্তান মেয়েদের কাছে।’